মহেশপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর লগ্ন ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার রাতে আলামপুর গ্রামে পুলিশের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে আটক হন তিনি।
আটককৃত বিল্লাল হোসেন আলামপুর ৪নং কলোনির সুরুজ মিয়ার ছেলে।
বিল্লাল হোসেন ছাড়াও ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন ওই প্রবাসীর স্ত্রী।
জানা গেছে, আলামপুর গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসীর স্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে তার নগ্ন ভিডিও ও ছবি পাঠিয়ে লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। চাঁদা দিতে রাজি না হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নগ্ন ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী বিষয়টি জানালে আসামি ধরতে ফাঁদ পাতেন মহেশপুর থানা পুলিশ। ফাঁদের অংশ হিসেবে চাঁদা দিতে রাজি হয়ে আসামিদের নাম্বারে লাখ টাকার ভিডিও পাঠানো হয়। সেইসঙ্গে আসামিদের বলা স্থানে টাকার ব্যাগ রাখা হয়।
শনিবার রাতে ওই স্থানে টাকার ব্যাগ নিতে গেলে সেখানে ওতপেতে থাকা পুলিশ ও এলাকাবাসী বিল্লাল হোসেনকে হাতেনাতে আটক করেন।
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ব্ল্যাকমেইলের বিষয়টি জানার পর ফাঁদ পেতে বিল্লাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর স্ত্রী মামলা করেছেন। অপর পলাতক আসামি বিদ্যুৎকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।