সূরা কাহাফ এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা কাহাফের গুরুত্ব ও ফজিলত
কুরআনুল কারীমের ১৮ নম্বর সূরা হলো সূরা কাহাফ। এতে ১১০টি আয়াত আছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অনেক হাদীসে এ সূরার গুরুত্ব ও ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে।
📖 ফজিলত ও গুরুত্ব:
1. দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপত্তা
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।”
— (সহীহ মুসলিম, হাদীস: 809)
2. আলো প্রাপ্তি (নূর)
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত আলো বিকীর্ণ হবে।”
— (আল-হাকেম, মুস্তাদরাক; সিলসিলা সহীহা, হাদীস: 2651)
3. কবর ও কিয়ামতের অন্ধকার থেকে বাঁচা
সূরা কাহাফ পাঠকারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা কবর ও কিয়ামতের দিন আলো দান করবেন।
4. দুনিয়ার ফিতনা থেকে হেফাজত
সূরাটিতে বিভিন্ন কাহিনী (আসহাবে কাহাফ, মূসা ও খিজির, যুলকারনাইন) এসেছে, যা ঈমানকে দৃঢ় করে এবং দুনিয়ার নানা পরীক্ষার মুখে ধৈর্যশীল হতে শিক্ষা দেয়।
📌 সারাংশ:
দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য সূরা কাহাফের প্রথম ও শেষ দশ আয়াত মুখস্থ রাখা জরুরি।
জুমার দিনে এ সূরা পড়লে এক সপ্তাহ আল্লাহর রহমতের আলোয় আবৃত থাকে।
ঈমান দৃঢ় করা, ফিতনা থেকে বাঁচা এবং কবর ও আখেরাতের অন্ধকার থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হলো এ সূরা পাঠ করা।