ঢাকা শিক্ষা বোর্ড একাদশে বিশেষ কোটার ফল প্রকাশ, ২য় ধাপে আবেদনের সময় বৃদ্ধি
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়ায় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ কোটায় প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্যায়ের অনলাইন আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মুনসী হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, প্রতিবন্ধী, প্রবাসী, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কোটায় মনোনীত শিক্ষার্থীদের আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশেষ কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে উপযুক্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে:
- প্রবাসী কোটা: ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সত্যায়িত সনদ ও পাসপোর্টের অনুলিপি।
- ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কোটা: জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্জিত সনদের মূল কপি।
- প্রতিবন্ধী কোটা: সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহকে এসব শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে এদের রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত বিবরণ জানিয়ে দেওয়া হবে। কোটাভিত্তিক ভর্তির সম্পূর্ণ তালিকা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।
দ্বিতীয় ধাপের নতুন সময়সূচি ও নিয়মাবলি
শিক্ষা বোর্ড নির্ধারিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা আগামী ১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ ধাপে প্রথম দফায় সুযোগ না পাওয়া কিংবা কোটা ভুলের কারণে ভর্তি বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন।
- দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ: ৫ অক্টোবর (রাত ৮টা)।
- প্রাথমিক নিশ্চায়ন: ৬ থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
- মাইগ্রেশনের ফল: ৯ অক্টোবর রাত ৮টায় পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
- চূড়ান্ত ভর্তি: ১১ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে সরাসরি কলেজে উপস্থিত হয়ে চূড়ান্ত ভর্তি হতে হবে।
আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা
দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম নির্ধারণ করা যাবে। প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোন কলেজ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নতুন করে আবেদন ফি (২২০ টাকা) দিতে হবে না। তারা পূর্বের আইডিতে লগইন করে পছন্দক্রম পরিমার্জন করতে পারবেন। তবে নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে আবেদনকারীদের অবশ্যই নিজের কোটার সঠিকতা নিশ্চিত করে আবেদন শেষ করতে হবে।