চীন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

May 21, 2026 Imran Hossain
21010
Share: Facebook X WhatsApp

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আগামী ২৩ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত চারদিনের চীন সফরে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ ঘোষণা দিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিরসনে আলোচনা করতে মার্চের শেষ দিকে বেইজিংয়ে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এরআগে ২০২৫ সালের আগস্টে চীনে গিয়েছিলেন শেহবাজ। ওই সময় দেশটিতে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গনাইজেশনের সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

এর পাশাপাশি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেছিলেন শেহবাজ।
যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় একাট্টা শি-পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিকল্পনা এবং ওয়াশিংটনের ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ পারমাণবিক নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চীন ও রাশিয়া। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বেইজিংয়ে ট্রাম্পকে জমকালো অভ্যর্থনা দেওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ পর বুধবার পুতিনের সঙ্গে এক যৌথ শীর্ষ সম্মেলনে ওই ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের যৌথ বিবৃতিতে এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট স্থিতিশীল ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলেও বৈশ্বিক কিছু স্পর্শকাতর ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে; যেখানে চীনের অবস্থান রাশিয়ার সঙ্গে সম্পূর্ণ এক।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভূমি ও মহাকাশ-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিষয়ে ট্রাম্পের যে পরিকল্পনা, তা বৈশ্বিক কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে। একই সঙ্গে এতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত সীমিত রাখার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয়েও ওয়াশিংটনের সমালোচনা করা হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর মস্কোর পক্ষ থেকে চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ট্রাম্প তাতে কোনও সাড়া দেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজনীতিক বলেছিলেন, চীনের পরমাণু অস্ত্র মোকাবিলা করার জন্য নিজেদের অস্ত্রের মজুত আরও বাড়ানো উচিত ওয়াশিংটনের। যদিও চীন বলেছে, তাদের অস্ত্র বৃদ্ধির এই হার মার্কিন মজুতের তুলনায় অনেক কম।

বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই নেতা এক সুরে কথা বললেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা বড় ধরনের কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন; যা মস্কো দীর্ঘদিন ধরে পাওয়ার আশা করছিল। একটি নতুন পাইপলাইন নির্মাণের বিষয়ে ওই চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা ছিল মস্কো-বেইজিংয়ের; যার মাধ্যমে রাশিয়ায় উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস চীনে রপ্তানির পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হয়।

সূত্র: রয়টার্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *