ইন্দোনেশিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যাত্রীদের গণপরিবহনে আকৃষ্ট করতে নিরাপদ, আধুনিক ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই জাকার্তায় এমআরটি এবং অন্যান্য গণপরিবহন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার জাকার্তায় এমআরটির সম্প্রসারণ কাজ পরিদর্শনের সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট গিবরান রাকাবুমিং রাকা এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
হারমোনি-সাওয়াহ বেসার ভূগর্ভস্থ টানেল প্রকল্প পরিদর্শনের সময় গিবরান বলেন, “যদি আমাদের নিরাপদ, আরামদায়ক, আধুনিক ও সমন্বিত ব্যবস্থা থাকে, তাহলে আরও বেশি মানুষ গণপরিবহন ব্যবহার করবে।”
এ সময় পরিবহনমন্ত্রী দুদি পুরওয়াগান্ধি, জাকার্তার গভর্নর প্রামোনো আনুং উইবোও এবং এমআরটি জাকার্তার প্রেসিডেন্ট পরিচালক তুহিয়াত সফরে অংশ নেন।
গিবরান জাকার্তার সেই নীতিরও প্রশংসা করেন, যার আওতায় বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধীসহ ১৫টি শ্রেণির মানুষকে বিনামূল্যে গণপরিবহন সেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভর্তুকি নীতির পাশাপাশি সেবার মানোন্নয়নও নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিশু, নারী, গর্ভবতী মা, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধীদের জন্য নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিত করা।”
এমআরটির পাশাপাশি জাকার্তার এলআরটি এবং ট্রান্সজাকার্তা বাসসেবার সম্প্রসারণকেও স্বাগত জানান গিবরান।
তিনি বলেন, “ট্রান্সজাকার্তা এখন আশপাশের বৃহত্তর অঞ্চলগুলোতেও সেবা দিচ্ছে।”
গভর্নর প্রামোনো জানান, বুন্দারান এইচআই থেকে কোতা তুয়া পর্যন্ত এমআরটি ফেজ-২এ নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, ২০২৭ সালে পরীক্ষামূলক পরিচালনা শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তার মতে, ২২ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তর-দক্ষিণ করিডরের পুরো কাজ ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া পূর্ব-পশ্চিম এমআরটি করিডরের প্রথম অংশ ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হতে পারে বলেও জানান তিনি ।
সূত্র :আনতারা