খড়ে ট্রেনের হুইল স্লিপ, এজন্য ট্রেনের বিলম্ব: রেলমন্ত্রী

মে ২৪, ২০২৬ Imran Hossain
24008
Share: Facebook X WhatsApp

রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সকাল থেকে আমি যতটা জানি যে তিনটি ট্রেনের সম্ভবত একটু ডিলে হয়েছে। একটা আসতে দেরি করেছে। সেটার হুইল স্লিপ করেছিল।
রোববার (২৪ মে) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঈদ যাত্রার ব্যবস্থাপনা দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, যাতায়াত নিশ্চিত করবার জন্য আমাদের যে ট্রেনের সংখ্যা সেটা পর্যাপ্ত নয়। আমরা ৩২ হাজার মানুষকে আন্তঃনগর ট্রেনে প্রতিদিন যাত্রার সুযোগ করে দিতে পারি। ঈদ উপলক্ষে আরো ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৪ হাজারের মতো যাত্রী যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারি। লাখ লাখ যাত্রীর ট্রেনে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। তো সেই ম্যানেজমেন্টটা একটু চ্যালেঞ্জ।

শেখ রবিউল আলম বলেন, যে হারে আমাদের চাহিদা সে হারে আমরা ট্রেনের সংখ্যা, ট্রেনের লাইনের সংখ্যা, লোকোমোটিভ, কোচ এগুলি আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি এটা সত্য। যেসব জায়গায় ঝুঁকি আছে, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, ডিরেল হয়ে যেতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে এবার আমরা ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। এটা চলমান আছে এবং সবসময় আমরা সতর্ক আছি।

আশা করছি যে এখনকার ট্রেন লাইনের যে অবস্থা, তাতে বড় কোনো বিপর্যয় হবে না। এতটুকু আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। আমাদের ব্যবস্থাপনায় আমরা সর্বোচ্চ মনোযোগ রেখেছি।
আবার যে সব স্টেশনগুলো সিকিউর না, সেগুলো একেবারে আবদ্ধ করা যায়নি, প্রবেশ অধিকার নিয়ন্ত্রণ করবেন- সেটাও করা যায়নি।

তিনি বলেন, এরকম একটা ব্যবস্থার মধ্যে যা আছে তাই নিয়ে আমরা চেষ্টা করছি। আমি মনে করছি ট্রেন যাত্রা স্বস্তি হবে। আর পরিবেশের অনেকটা উন্নতি হয়েছে। যাত্রীরা আমাকে বলেছে একেবারে জরাজীর্ণ অবস্থা ছিল। এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে সার্ভিসটা ভালো, পরিবেশটা ভালো, শিডিউলটাও ভালো, ভালো টিকিট বিক্রি হয়েছে। সেখানে কোনো অনিয়ম বা সিন্ডিকেট এরকম হয়নি। সবসময় তদারকি আছে। অনলাইনের ভিত্তিতে যে আগে নক করেছে তাকে আমরা টিকিটটা দিতে সক্ষম হয়েছি।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, অনেক স্টেশন সিকিউরড না। এগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। পাঁচ জোড়া অর্থাৎ ১০ টি স্পেশাল ট্রেন চলবে আগামীকাল থেকে। এছাড়া ৫১টি কোচ উন্মোক্ত করেছে, এতে যাত্রীদের যাতায়াত আরও স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করছি।

ট্রেন বিলম্ব হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকাল থেকে সম্ভবত ৩ টি ট্রেনের ডিলে হয়েছে। একটা হলো আসতে দেরি করেছে, সেটা হুইল স্লিপ করেছিল। সেটাও অনাকাঙ্খিত ভাবে হয়েছে। ট্রেন লাইনের উপর খড় নাড়ছে, কিলোমিটার টু কিলোমিটার সেখানে ওটা হুইল স্লিপ করেছে। সেখানে রিলিফ টিম গিয়ে আবার নতুন করে সচল করে নিয়ে আসতে হয়েছে।

এতে ২টি বা ৩টি ট্রেনের কিছুসময় ডিলে হয়েছে- একটা ২০ মিনিট, একটা ১ ঘন্টা, আরেকটা ২ ঘন্টা। আবার যে সব স্টেশনগুলো সিকিউর না, সেগুলো একেবারে আবদ্ধ করা যায়নি, প্রবেশ অধিকার নিয়ন্ত্রণ করবেন- সেটাও করা যায়নি।

তিনি বলেন, এরকম একটা ব্যবস্থার মধ্যে যা আছে তাই নিয়ে আমরা চেষ্টা করছি। আমি মনে করছি স্বস্তি হবে। আর পরিবেশের অনেকটা উন্নতি হয়েছে। যাত্রীরা আমাকে বলেছে একেবারে জরাজীর্ণ অবস্থা ছিল। এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে সার্ভিসটা ভালো, পরিবেশটা ভালো, শিডিউলটাও ভালো, ভালো টিকিট বিক্রি হয়েছে। সেখানে কোনো অনিয়ম বা সিন্ডিকেট এরকম হয়নি। সবসময় তদারকি আছে।

অনলাইনের ভিত্তিতে যে আগে নক করেছে তাকে আমরা টিকিটটা দিতে সক্ষম হয়েছি।এসময় উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *