দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন পিএলসির চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) রাজস্ব কমলেও মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে। ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধির ফলে এই প্রবৃদ্ধি এসেছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে ওই আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে গ্রামীণফোনের আয় হয়েছে ৩ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ কম। গত বছরের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে কোম্পানিটির আয় হয়েছিল ৩ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক চাপে এই রাজস্ব কমেছে বলে জানিয়েছে কোম্পানি। যদিও ডাটা সেবায় প্রবৃদ্ধি এই পতনের কিছুটা প্রভাব সামাল দিয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রামীণফোনের নিট মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ বেড়ে ৬৬২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। গত বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানিটির ৬৩৪ কোটি টাকা নিট মুনাফা হয়েছিল। আলোচিত তিন মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৪ টাকা ৯০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৬৯ পয়সা।
২০২৫ সালে গ্রামীণফোন ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। অন্তর্বর্তী লভ্যাংশসহ মোট লভ্যাংশ দাঁড়িয়েছে ২১৫ শতাংশ, যা কোম্পানির শক্তিশালী নগদ প্রবাহের ইঙ্গিত দেয়। তবে সার্বিকভাবে ২০২৫ অর্থবছরে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমে ২ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। যা আগের বছর ছিল ৩ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা।