বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি চিঠি নিয়ে বেশ হইচই পড়ে যায়। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়া সেই চিঠির বিষয়টি স্পষ্ট করে আজ বিবৃতি দিয়েছে জামায়াত।
মঙ্গলবার বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঘটনাটি ২২ ফেব্রুয়ারির। সে সময় অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। দেশের পররাষ্ট্র বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কিছু অবস্থান স্পষ্ট করার স্বার্থে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি চিঠি পাঠানোর বিষয়ে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।
কিন্তু তিনি আমির কর্তৃক নির্দেশিত বিষয়াবলির বাইরে কিছু বিষয় যুক্ত করে চিঠিটি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেন। বিশেষ করে চিঠিতে উল্লিখিত ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’-সংক্রান্ত অংশটি জামায়াত আমিরের নির্দেশনায় ছিল না।
বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারী আরও জানান, চিঠির বিষয়টি দলের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াত আমির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। মাহমুদুল হাসানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২ মার্চ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর ঢাকা-১৪ আসনে দলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমকে (আরমান) বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, জামায়াতে ইসলামী দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক আচরণে বিশ্বাসী। কোনো বিষয়ে বিভ্রান্তি বা ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হলে জামায়াত তা দ্রুত সংশোধনের নীতিতে বিশ্বাস করে। আলোচ্য ঘটনার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।