পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি একদিন বাড়িয়েছে সরকার। পবিত্র শবে কদর ও ঈদুল ফিতর মিলে টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। গতকাল রোববার জনপ্রশান মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
তবে এই ছুটির আওতায় সব ধরনের সেবা ও প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে না বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশের ৩৭ নম্বর ক্রমিকের অনুবলে সরকার কর্তৃক আসন্ন শব-ই-কদর ও ঈদ-উল-ফিতরের পূর্ব নির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে ১ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটিকালীন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকার ঘোষিত এই বিশেষ ছুটির সময় সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে জনস্বার্থে এবং জরুরি সেবা সচল রাখতে বেশ কিছু সেক্টরকে এই ছুটির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট এবং ডাক সেবায় নিয়োজিত কর্মী ও সংশ্লিষ্ট যানবাহনগুলো এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
চিকিৎসা সেবার গুরুত্ব বিবেচনা করে হাসপাতাল ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য এই ছুটি কার্যকর হবে না। একই সঙ্গে ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও কর্মস্থলে নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য অফিসসমূহও তাদের নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখবে।
প্রজ্ঞাপনে ব্যাংক ও আদালতের বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানাবে।
বেসরকারি খাতের শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
এর সঙ্গে যুক্ত হলো ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটি। এদিকে ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটি।