১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সিরিজ বাঁচাতে সোমবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ

সিরিজ বাঁচানো, হোয়াইটওয়াশ এড়ানো—চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের সামনে মোটা দাগে বড় দুই চ্যালেঞ্জ। প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে হারায় সিরিজ জেতার সম্ভাবনা নেই বাংলাদেশের। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামীকাল সোমবার (২৮ এপ্রিল) থেকে।

বাংলাদেশ জিতলে ড্র হবে সিরিজ। আর হারলে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের কাছে হোয়াইটওয়াশ। ম্যাচ যদি ড্র হয়, তাতেও সিরিজ নিজেদের করে নেবে সফরকারীরা। এমন সব সমীকরণ নিয়ে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায়।

ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলে এসেছে একাধিক পরিবর্তন। প্রায় তিন বছর বিরতির পর জাতীয় দলে ডাক পেলেন এনামুল হক বিজয়। তার সঙ্গে ডাক পড়েছে আরেক ক্রিকেটার তানভীর ইসলামের। পিএসএল খেলতে পাকিস্তান যাওয়ায় দ্বিতীয় টেস্টের দলে নেই পেসার নাহিদ রানা।

মাঠ ও মাঠের বাইরে, কোথাও সময়টা ভালো যাচ্ছে না বাংলাদেশ দলের। হতাশ হয়ে পড়েছেন ভক্ত-সমর্থকরা। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স অবশ্য বলছেন, ধৈর্য ধরতে। ম্যাচের আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেন, ‘আমি বলব ধৈর্য ধরতে। আমি জানি, ক্রিকেটের প্রতি এ দেশের মানুষের প্যাশন কতটা। আমি অনুরোধ করব তাদের, কারণ আমরা চেষ্টা করছি সঠিক জায়গায় সঠিক কাজটা করতে। মাঠে আরও ভালো করতে।’

সিলেট টেস্টে হারের অন্যতম কারণ ব্যাটিংয়ের দুর্দশা। অন্যতম না বলে মূল কারণ বললে ভুল হবে না। ঘরের মাঠের উইকেটে জিম্বাবুয়ের বোলারদের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। দুই ইনিংসেই ব্যাটারদের ব্যর্থতার খেসারত দিতে হয়েছে ম্যাচ হেরে। সিমন্সও মেনে নিয়েছেন সেটি। ব্যাটিং ব্যর্থতার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। তবে, আশা করছেন দ্বিতীয় টেস্টে জ্বলে উঠবেন ব্যাটাররা।

জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন আবার সিরিজ জয় ছাড়া অন্যকিছু ভাবতে চান না। সংবাদ সম্মেলনে আরভিন বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত প্রত্যাশা করছি না। প্রত্যাশার চাপ নিয়ে খেলতে চাই না। আমাদের কাজ যেটা, মাঠে তা করতে চাই। সিরিজ জিততেই খেলব।’

সিরিজ শুরুর আগেও যা ছিল অপ্রত্যাশিত, এক ম্যাচের এখন সেটিই দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। বাংলাদেশের মাঠে বাংলাদেশ নামবে সিরিজ বাঁচাতে, যেখানে জিম্বাবুয়ের সামনে জেতার সুযোগ।

বাংলাদেশের স্কোয়াড

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মেহেদী হাসান মিরাজ (সহ-অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, এনামুল হক বিজয়, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, তানভীর ইসলাম, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিব।

সর্বশেষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।  অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন মাসুদ সাঈদী। ‎বিজয় লাভের পরপরই তিনি ঘোষণা দেন, দলমত নির্বিশেষে তিনি পিরোজপুরের সব মানুষের জন্য কাজ করবেন। মাসুদ সাঈদী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় পিরোজপুর গড়ে তোলা। সাক্ষাৎকালে মাসুদ সাঈদী বলেন, আমরা সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় পিরোজপুর গড়ে তুলব। আমরা পিরোজপুরকে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির হিসেবে গড়ে তুলব। আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের পিরোজপুর গড়ে তুলব। আমাদের মাঝে দলীয় বিভাজন থাকবে না, থাকবে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি। এর আগে ‎শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে বিজয় পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে চন্ডিপুর বাজারে আয়োজিত এক শুকরানা সমাবেশে মাসুদ সাঈদী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের প্রতি যেন কোনো ধরনের অসদাচরণ না করা হয়। নির্বাচনে বিজয় যেন আমাদের অহংকারী না করে, বিজয় যেন আমাদের বিনয়ী করে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— জনগণের আস্থা অর্জন করা, নতুন ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির মধ্যে রাখা এবং দেশে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করা। এদেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এদেশে নতুন করে আর কোনো স্বৈরাচার বা দুর্নীতিবাজকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। ‎সমাবেশ শেষে মাসুদ সাঈদী চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন কার্যালয়ে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শেখ আব্দুর রাজ্জাক, সদর উপজেলা আমির মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইমরান হোসেন, মাজলিসুল মুফাসসিরীনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, জেলা টিম সদস্য রাকিবুল হোসেন প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ের পর সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি। শনিবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে এই নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলন হবে। দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেবে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের ফলাফল, সরকার গঠনের প্রস্তুতি, সম্ভাব্য জোট রাজনীতি এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন।