‘পাগল-নিমকহারাম’ বলে ফোনে নেতানিয়াহুকে গালাগাল ট্রাম্পের

জুন ২, ২০২৬ Imran Hossain
20002
Share: Facebook X WhatsApp

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে হামলার তীব্রতা বাড়ানোয় দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নেতানিয়াহুকে পাগল কলে গালি দেন। এছাড়া তার হস্তক্ষেপে নেতানিয়াহুকে জেলে যেতে হয়নি বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গতকাল সোমবার (১ জুন) নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের এ ফোনালাপ হয়। আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানিয়েছে, তাদের দুজনের এ আলাপটি ছিল অত্যন্ত উত্তপ্ত। এ সময় ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ওপর নিজের রাগ প্রকাশ করেন।

এক্সিওস জানিয়েছে, গতকাল ইরান হুমকি দেয় ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা বন্ধ না করে তাহলে তারা আলোচনা ত্যাগ করবে। এরপরই ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ফোন করেন।

এ সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে পাগল বলা ছাড়াও নিমকহারাম হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি। এরসঙ্গে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালানোর যে পরিকল্পনা ইসরায়েল করছিল, সেটিও থামিয়ে দিয়েছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছেন, যদি এখন লেবাননে ইসরায়েল হামলা চালায় তাহলে বিশ্বব্যাপী ইসরায়েল আরও একঘরে হয়ে যাবে।

আরেকটি সূত্র বলেছেন, ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, “আমার কারণে আপনাকে জেলে যেতে হয়নি।”

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচার চলছে ইসরায়েলে। ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে এ মামলা থেকে রেহাই দিতে প্রকাশ্যে কয়েকবার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক কর্মকর্তা বলেছেন নেতানিয়াহুকে বলা ট্রাম্পের কথার সারমর্ম ছিল এই যে— “আপনি একটা পাগল। যদি আমি না থাকতাম তাহলে আপনি জেলে থাকতেন। আমি আপনাকে রক্ষা করছি। সবাই আপনাকে এখন ঘৃণা করে। এ কারণে ইসরায়েলকে সবাই ঘৃণা করে।”

এদিকে এই ফোনালাপের পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর আর কোনো হামলা চালাবে না এবং ইসরায়েলও বৈরুতে হামলা চালাবে না।

তবে নেতানিয়াহু পরবর্তীতে এক বিবৃতিতে জানান তারা লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখবেন। কিন্তু ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় নেতানিয়াহু অনেকটাই নিচু স্বরে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

সূত্র: এক্সিওস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *