পশ্চিমতীর দখল ও সহিংসতা: অবৈধ বসতির পণ্যে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, সঙ্গে ফ্রান্স-কানাডাও
অধিকৃত পশ্চিমতীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের অব্যাহত সহিংসতা ও উচ্ছেদ অভিযানের কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। অঞ্চলটিতে ইসরায়েলি সেটেলারদের তৈরি যাবতীয় পণ্যের আমদানিতে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটি। একযোগে একই ঘোষণা নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ফ্রান্স ও কানাডাও।
মঙ্গলবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এ ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইডি মিলিব্যান্ড। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দখলদার সেটেলারদের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নির্মূলের’ শামিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা এই চরমপন্থি সন্ত্রাসকে ইসরায়েল সরকার সরাসরি তোয়াজ করছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে গঠিত অবৈধ বসতির কোনো পণ্যই আর যুক্তরাজ্যের বাজারে ঠাঁই পাবে না। পাশাপাশি এসব বিতর্কিত এলাকার প্রচার ও বিপণনমূলক কোনো বিজ্ঞাপনও দেশের গণমাধ্যম বা প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করতে দেওয়া হবে না। নিজ দেশের জনগণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দখলদারিত্ব ও অন্যায়কে সমর্থন করে এমন পণ্য যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না।
একই দিনে মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক আরেকটি কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে লন্ডন। লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর আর্থিক সংস্থা ‘আল-কার্দ আল-হাসান’-এর ওপরও পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। বিনা সুদে ঋণদাতা দাতব্য সংস্থা হিসেবে নিজেদের দাবি করলেও, এর পেছনে থাকা আর্থিক নেটওয়ার্ক ও ব্যাংক লেনদেনের ওপর আগেই কড়াকড়ি আরোপ করেছিল লেবাননের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তথ্যসূত্র: বিবিসি ও আল জাজিরা