১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২২শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

কোনো ভুল করলে আমাকে সংশোধন করে দেবেন: এমপি মুজিবুর

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের এমপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, আমি এমপি হয়েছি বলে অনেক কিছু হয়ে গেছি-এমনটা মনে করবেন না। আমি আপনাদেরই একজন ভাই। যদি কোনো ভুল করি, তাহলে আমাকে সংশোধন করে দেবেন।

এ সময় তিনি ন্যায়পরায়ণতা ও জবাবদিহিতার উদাহরণ হিসেবে খলিফা হজরত ওমর (রা.)-এর ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলাকার কাঁচারাস্তা পাকা করার কাজ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

রাজশাহীর তানোরে কৃষক শ্রমিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উপজেলার অমৃতপুর ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে ১ নম্বর কলমা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলার কলমা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ডা. মো. সেকেন্দার আলী।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক, আদর্শ শিক্ষক কল্যাণ ফেডারেশন রাজশাহী জেলার সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা জামায়াতের আমির আলমগীর হোসেন, সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা আব্দুর রহিম।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক কৃষক ও শ্রমিক মানুষ ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

সর্বশেষ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে কয়েক দফায় মেরে পুলিশের হাতে সোর্পদ করার অভিযোগ উঠেছে এনসিপির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার (৯ মার্চ) ভোর রাতে সেহরির সময় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমি বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহেরি খেতে গিয়েছিলাম। সেখানে হাসিব, শুভ, সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন ও আবরারও খাচ্ছিল। তাদের নেতৃত্বে প্রায় ২০–২৫ জন আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা মারধর করেছে। পাভেল বলেন, আমার দোষ থাকলে আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হোক–আমি তাদের বলেছি। কিন্তু তারা আমার কোনো কথা শোনেনি। পাভেল আরও বলেন, তারা সেখান থেকে মেরে পরে পলাশীতে এনে আবার মারে। আবার সেখান থেকে আমাকে বাইকে করে ভিসি চত্বরে নিয়ে এসে কয়েকজন মিলে কিল-ঘুষি মারে। পরে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে শাহবাগ থানায় ফেলে দিয়ে যায়। সেখান থেকে পুলিশ আটক করে। তারা আমাকে ছাত্রলীগ বলে পেটায়। আমি কখনো কোন সংগঠনে ছিলাম না। আমার কোনো পদ নেই। মারার পর তারা মোবাইল, মানিব্যাগ ও বাইকের চাবি নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন পাভেল। তিনি যাদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনেছেন, তাদের মধ্যে আছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা সাইফুল্লাহ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসিব আল ইসলাম, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও আবরার। অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসিব আল ইসলামকে ফোন করলেও তারা ধরেননি। শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান বলেন, আজকে সেহরির সময় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা তাকে (পাভেল) পুলিশের হাতে সোর্পদ করে। এখন সে আমাদের হেফাজতে আছে। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ, এজন্য ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে আগে সুস্থ হোক, তারপর আমরা তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের কাছে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে আমি এ ঘটনা জানার পর সেই ছেলেকে মেডিকেল ট্রিটমেন্ট দিতে শাহবাগ থানাকে অনুরোধ করেছি। আমরা তার খোঁজ খবর রাখছি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।