২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

অবশেষে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ ওমরাহ যাত্রী

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের ত্বরিত উদ্যোগে অবশেষে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ ওমরাহ যাত্রী। তারা মাস্ক হজ গ্রুপ ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদিতে গিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাস্ক হজ গ্রুপের মাধ্যমে গত ২৪ মার্চ ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান তারা। তাদেরকে ৫ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা বলেছিল সংশ্লিষ্ট এজেন্সি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এজেন্সি কোনো রিটার্ন টিকিট প্রদান না করায় তাদের দেশে ফেরার বিষয়টি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। গত ১৮ এপ্রিল ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যায় এসব উমরাহ যাত্রীদের। আটকে পড়া এসব ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফেরত নিয়ে আসার বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেন জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর। বিষয়টি অবহিত হয়ে আটকে পড়া ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেলকে অনুরোধ জানান ধর্মমন্ত্রী।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রীর নির্দেশে কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ভুক্তভোগী ওমরাহ যাত্রীদের হোটেলে গিয়ে দেখা করেন এবং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেন। আটকে পড়া ওমরাহ যাত্রীদের সর্বশেষ দলটি আজ (২৩ এপ্রিল) দেশে ফিরবে। এই প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, জেদ্দা বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম ও কনস্যুলার এএসএম সায়েম।

ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে ওমরাহ যাত্রীরা যেন সমস্যায় না পড়েন, সে বিষয়ে জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিস থেকে সৌদি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠানো হয় বলেও জানানো ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।

উল্লেখ্য, গত মাসেও এই এজেন্সির কিছু ওমরাহ যাত্রী একই সমস্যায় পড়েন। পরে ধর্মমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এজেন্সির মালিক তাদের দেশে প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

সর্বশেষ