বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে আগুন

এপ্রিল ৩০, ২০২৬ Imran Hossain
3001
Share: Facebook X WhatsApp

ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনড় অবস্থানের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। এই অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম একলাফে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত চার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই নৌ অবরোধ কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তার মতে, সরাসরি সামরিক হামলার চেয়ে নৌ অবরোধ অনেক বেশি কার্যকর। ট্রাম্প দাবি করেন, এই অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ অবস্থা এখন ‘হাঁসফাঁস’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রয়োজন হলে এই অবরোধ আরও দীর্ঘ সময় চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং মার্কিন ভোক্তাদের ওপর প্রভাব কমাতে হোয়াইট হাউজ বাজার স্থিতিশীল করার বিকল্প পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে।

এদিকে, অবরোধ অব্যাহত থাকলে তেহরান ‘কড়া জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনার আগে তাদের ওপর থেকে সব অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো সামরিক অভিযান শুরু করে, তবে তার পরিণতি গোটা বিশ্বের জন্য ভয়াবহ হবে।

ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনড় অবস্থানের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। এই অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম একলাফে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত চার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই নৌ অবরোধ কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তার মতে, সরাসরি সামরিক হামলার চেয়ে নৌ অবরোধ অনেক বেশি কার্যকর। ট্রাম্প দাবি করেন, এই অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ অবস্থা এখন ‘হাঁসফাঁস’ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রয়োজন হলে এই অবরোধ আরও দীর্ঘ সময় চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং মার্কিন ভোক্তাদের ওপর প্রভাব কমাতে হোয়াইট হাউজ বাজার স্থিতিশীল করার বিকল্প পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে।

এদিকে, অবরোধ অব্যাহত থাকলে তেহরান ‘কড়া জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনার আগে তাদের ওপর থেকে সব অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।

অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো সামরিক অভিযান শুরু করে, তবে তার পরিণতি গোটা বিশ্বের জন্য ভয়াবহ হবে।

সূত্র: বিবিসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *