যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে বিমান হামলা চালাচ্ছে ইরানে। এই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। তারপর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে অংশ নেবে না ইরান।
এ ব্যাপারে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ ডোনিয়ামাল টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার মতো কোনো অবস্থা নেই। আমাদের ওপর কয়েক মাসের ব্যবধানে দুইটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এতে হাজারো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।’
তিনি আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফুটবল খেলা সম্ভব নয়। তাই ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বলেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনান্ড ট্রাম্প ইরান দলকে বিশ্বকাপে স্বাগত জানাবেন।
ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো আবার অন্য কথা শোনালেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানালেন, বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং ইতিবাচক সমাধানও মিলেছে।
তিনি জানান, আমরা ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছি এবং বিষয়টা হলো, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। ওই আলোচনায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে এই টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপে) অবশ্যই ইরান দলের অংশগ্রহণের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
টানা চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার হাতছানি ইরানের সামনে। আগামী ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর কথা ইরানের। ‘জি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম ও মিশর।