১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৭শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

টাকাসহ জামায়াত নেতাকে আটক করা সেই এসপি শেখ জাহিদ সম্পর্কে যা জানা গেল

ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর জামায়াতে ইসলামীর নেতাকে টাকাসহ আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এস কে জাহিদুল ইসলামকে ঘিরেও বিভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে।

বুধবার সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন জামায়াতের ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশ। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তার লাগেজ তল্লাশি করে গণনা শেষে ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।

আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

তবে পরবর্তীতে জানা যায়, ওই টাকা বহনের ক্ষেত্রে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছিল। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তাকে নগদ অর্থ বহনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনি সময় বৈধ উৎস প্রদর্শন করতে পারলে টাকা পরিবহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতে তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে।

এমনকি তাকে নির্যাতন করেন নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম। এই নির্যাতনে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

সেই সাথে মিডিয়া ফ্রেমিং করে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে জানিয়ে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। সেই নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

জামায়াতের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর। তিনি সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। তিনি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

 

সর্বশেষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।  অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন মাসুদ সাঈদী। ‎বিজয় লাভের পরপরই তিনি ঘোষণা দেন, দলমত নির্বিশেষে তিনি পিরোজপুরের সব মানুষের জন্য কাজ করবেন। মাসুদ সাঈদী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় পিরোজপুর গড়ে তোলা। সাক্ষাৎকালে মাসুদ সাঈদী বলেন, আমরা সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় পিরোজপুর গড়ে তুলব। আমরা পিরোজপুরকে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির হিসেবে গড়ে তুলব। আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের পিরোজপুর গড়ে তুলব। আমাদের মাঝে দলীয় বিভাজন থাকবে না, থাকবে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি। এর আগে ‎শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে বিজয় পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে চন্ডিপুর বাজারে আয়োজিত এক শুকরানা সমাবেশে মাসুদ সাঈদী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের প্রতি যেন কোনো ধরনের অসদাচরণ না করা হয়। নির্বাচনে বিজয় যেন আমাদের অহংকারী না করে, বিজয় যেন আমাদের বিনয়ী করে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— জনগণের আস্থা অর্জন করা, নতুন ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির মধ্যে রাখা এবং দেশে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করা। এদেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এদেশে নতুন করে আর কোনো স্বৈরাচার বা দুর্নীতিবাজকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। ‎সমাবেশ শেষে মাসুদ সাঈদী চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন কার্যালয়ে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শেখ আব্দুর রাজ্জাক, সদর উপজেলা আমির মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইমরান হোসেন, মাজলিসুল মুফাসসিরীনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, জেলা টিম সদস্য রাকিবুল হোসেন প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ের পর সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি। শনিবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে এই নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলন হবে। দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেবে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের ফলাফল, সরকার গঠনের প্রস্তুতি, সম্ভাব্য জোট রাজনীতি এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন।

আরো সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।  অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন মাসুদ সাঈদী। ‎বিজয় লাভের পরপরই তিনি ঘোষণা দেন, দলমত নির্বিশেষে তিনি পিরোজপুরের সব মানুষের জন্য কাজ করবেন। মাসুদ সাঈদী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় পিরোজপুর গড়ে তোলা। সাক্ষাৎকালে মাসুদ সাঈদী বলেন, আমরা সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর ও সম্ভাবনাময় পিরোজপুর গড়ে তুলব। আমরা পিরোজপুরকে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির হিসেবে গড়ে তুলব। আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের পিরোজপুর গড়ে তুলব। আমাদের মাঝে দলীয় বিভাজন থাকবে না, থাকবে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি। এর আগে ‎শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় জনগণের সঙ্গে বিজয় পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে চন্ডিপুর বাজারে আয়োজিত এক শুকরানা সমাবেশে মাসুদ সাঈদী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের প্রতি যেন কোনো ধরনের অসদাচরণ না করা হয়। নির্বাচনে বিজয় যেন আমাদের অহংকারী না করে, বিজয় যেন আমাদের বিনয়ী করে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— জনগণের আস্থা অর্জন করা, নতুন ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির মধ্যে রাখা এবং দেশে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করা। এদেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এদেশে নতুন করে আর কোনো স্বৈরাচার বা দুর্নীতিবাজকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। ‎সমাবেশ শেষে মাসুদ সাঈদী চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন কার্যালয়ে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শেখ আব্দুর রাজ্জাক, সদর উপজেলা আমির মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইমরান হোসেন, মাজলিসুল মুফাসসিরীনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, জেলা টিম সদস্য রাকিবুল হোসেন প্রমুখ।